00:00আমাদের সবারই এমন অভিজ্ঞতা আছে, একগাদা ফাইল, অনেকগুলো পিডিএফ, আর এক ডজন ওয়েবসাইট লিঙ্ক। জরুরি তথ্যটা যখন খুঁজে বের করতে হয়, তখন আমরা খুঁজে পাই না। আর খুঁজতে খুঁজতে অর্ধেক দিন শেষ হয়ে যায়। তখন মনে হয়, যদি একজন সহকারী থাকতো, যে আমার সব ডকুমেন্ট পড়ে, সোর্স মেটেরিয়ালসহ কোথায়, কোন পেজের, কোন লাইনে আমার তথ্যটা আছে, সেটা খুঁজে দেয়, তাহলে আমার জীবন মনে হয় একদম সহজ হয়ে যেত। এমন সহকারী পাওয়া তো অবশ্যই সম্ভব না। বলা যায়, দুর্লভ বা পাওয়া গেলেও, যেহেতু মানুষ ভুল করবে, এবং ভুল থাকবেই। স্পেসিফিকভাবে আমাদের তথ্য ডেলিভারির জন্য অনেক সময় লাগবে। কিন্তু Google এর নোটবুক LM একদম ঠিক একই কাজটা করছে, খুবই প্রিসাইজলি, যা আমাদের গবেষণা, স্টাডি ও শেখার জার্নিকে অনেক অনেক বেশি সহজ করে দিয়েছে। এজ ছাত্র, এজ কন্টেন্ট। ক্রিয়েটর আই হবিন ইউজিং গুগল নোটবুক এলএম ফর দা পাস্ট ওয়ান ইয়ার, এবং বলতে হয় এটা রিসার্চ কাজকে এবং স্টাডি প্রসেসকে অনেক বেশি সহজ করে। এই ভিডিওতে আমি তুলে ধরবো গুগল-এর নোটবুক এলএম কিভাবে কাজ করে এবং সাতটা ইউজকেস, যেগুলো আপনার লার্নিং জার্নিকে অনেক বেশি সহজ করে দেবে। এই ভিডিওটা হয়তো একটু বড় হয়ে যাবে, তাই বর্ণনায় থাকা যে টাইমস্ট্যাম্পগুলো আছে, সেগুলো থেকে আপনি যেকোন সেকশন দেখে নিতে পারেন। উইদাউট ফরয়ার, চলুন শুরু করি। তো প্রথমে জানা দরকার, গুগল-এর নোটবুক এলএমটা আসলে কী কাজ করে, বা এটা কেন তৈরি হয়েছে। গুগল-এ নোটবুক এলএম গুগল ল্যাবস-এর একটি পরীক্ষামূলক প্রজেক্ট, এবং এই প্রজেক্টটি গুগল-এর সবচেয়ে শক্তিশালী মডেল, গুগলের জেমিনাই (Google Gemini)-এ 기반, যা দ্বারা এটি তৈরি। সবচেয়ে মজার বিষয়, আপনি যখন গুগল জেমিনাই ফ্রি ইউজ করেন। করবেন, জেমিনা Pro এর যে ভার্সনগুলো বা Pro এর যে ক্যাপাবিলিটিস, এগুলো আমরা মানে এক্সেস করতে পারি না। কিন্তু নোটবুক এলএম এর ভিতরে আপনি একদম লেটেস্ট যে ভার্সনটা লঞ্চ হয়েছে, সেই ভার্সনটাই আপনি ইউজ করতে পারবেন। এই নোটবুক এলএম এর সবচেয়ে ইউনিক ফিচার হলো, এটি আপনার আপলোডকৃত যে ফাইলগুলো বা লিংকগুলো থাকবে, সেগুলোর বাইরে থেকে কোন উত্তর দেবে না। অর্থাৎ, আপনি যে নলেজ বেজ বা যে রিসোর্সেস আপলোড করছেন, তার মধ্যে থেকেই যেকোনো ধরনের উত্তর দেওয়ার জন্য এটি সক্ষম। এই পুরো প্রসেসকে আপনি সকল ডকুমেন্ট আপলোড করে, সেই ডকুমেন্টগুলো এক্সেস করে, আপনাকে একটা এক্সপার্টের মতো উত্তর দিচ্ছে। এটাকে আসলে টেকনিক্যাল ভাষায় বলা হয় "গ্রাউন্ডিং"। এতে আসলে হয়, তথ্যের নির্ভুলতা বজায় রাখা। অর্থাৎ, আপনি যখন ChatGPT বা জেনিনার বা অন্য কোন AI ব্যবহার করবেন, তখন এটি নিশ্চিত করে যে your answers are based on the uploaded resources
02:31যেকোনো মডেলে আপনি যখন কোনও কিছু জিজ্ঞেস করেন, ওরা করে কি? ইন্টারনেট ক্রল করে একটা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে। ইন্টারনেটে কিন্তু মানে গার্বেজ কনটেন্ট, হাই কোয়ালিটি কনটেন্ট, মিডিয়া কনটেন্ট, সব ধরনের কনটেন্টই আছে। তো আপনার আউটপুটের মধ্যে একদম গার্বেজ কনটেন্টের কিছু অংশও চলে আসতে পারে, যা আপনি হয়তো চান না বা এটা আপনি কন্ট্রোলও করতে পারতেন না। কিন্তু আপনি যা কন্ট্রোল করতে পারেন, তার মধ্যে কিছু হাই কোয়ালিটি রিসোর্স আছে। আপনি চান এর ভিতর থেকে একটা উত্তর আসুক। তাইলে আপনাকে ইউজ করতে হবে নোটবুক এলএম। এবার আসুন, আমরা ডাইরেক্টলি স্ক্রিনে চলে যাই। স্ক্রিন থেকে নোটবুক এলএম এর এর ইন্টারফেস, ফিচারস, এবং বেশ কিছু ইউজ কেস আমরা জেনে নেই। তো, Google এ নোটবুক এলএম একসেস করার জন্য, নোটবুক এম.গুগল.কম এ চলে আসলেই হচ্ছে, যখনই আপনি এই। সাইটটায় এসে আপনি কিছুটা এভাবেই একটি ইন্টারফেস দেখতে পাবেন, যেখানে থাকছে ফিচারড নোটবুক এবং এখানেআপনার যে রিসেন্ট নোটবুকগুলো আছে, সেগুলো। উপরের থেকে আপনি ভিউটা পরিবর্তন করে নিতে পারবেন, যেমন গ্রিড ভিউ না, লিস্ট ভিউ চাচ্ছেন। এখান থেকে আপনি মিস্ট রিসেন্ট সিলেক্ট করতে পারবেন, টাইটেল সিলেক্ট করতে পারবেন অথবা ক্রিয়েট নিউ ক্লিক করে নতুন একটি নোটবুক তৈরি করতে পারবেন। উপরে গেলে 'My Notebooks' এ ক্লিক করলে আপনি দেখবেন যে, আপনি যে নোটবুকগুলো তৈরি করেছেন বা ব্যবহার করছেন। 'Featured Notebooks' এ ক্লিক করলে দেখা যাবে একটি নতুন ফিচার। এখানে আপনি টপ জার্নাল, টপ নিউজ পাবলিশার এবং জনপ্রিয় ব্যক্তিদের নোটবুক শেয়ার করছে—এগুলো গুগল থেকে আসা ভালো মানের নোটবুক। নিজেদের মত করে ফিচার করে দিয়েছে। এইখানে আমাদের নোটবুকগুলো আমরা ফিচার করতে পারবো কি পারবো না, সেই দিক নির্দেশনাটা এখন পর্যন্ত আমাদেরকে হয় না। কিন্তু সফরের এইরকমই একটা ড্যাশবোর্ড আপনি পাবেন। তো আমাদেরকে সিম্পলি যা করতে হবে, আমরা এইখান থেকে ক্রিয়েট নিউ নোটবুক ক্লিক করতে পারব বা এইখান থেকেও ক্রিয়েট নিউ নোটবুক ক্লিক করতে পারছি। তো আমি এখানে থেকে ক্রিয়েট নিউতে ক্লিক করে দিলাম। ক্রিয়েট নিউতে ক্লিক করলে সবার আগে আপনার সামনে যা আসবে, সেটি হলো 'আপলোড সোর্সেস'। মনে রাখবেন, এইখানে যদি দেখেন সোর্স লিমিট, যেহেতু আমরা ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করছি, ফ্রি ভার্সনে ৫০টা সোর্স আপলোড করতে পারবেন। এখন আসি, এই যে ৫০টা সোর্স আপনি আপলোড করবেন, এগুলো আসলে কোন ধরনের হতে পারে, সেগুলো হতে পারে Google ড্রাইভের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেমন Google ড্রাইভ বা Google..
04:45স্লাইডস, এই ধরনের জিনিস আপলোড করতে পারেন। বিভিন্ন লিঙ্কস আপলোড করতে পারেন, যেমন ডিরেক্ট ওয়েবসাইট লিঙ্ক, কোনও ব্লগের লিঙ্ক, কোনও আর্টিকেলের লিঙ্ক বা ইউটিউব থেকে কোনও ইউটিউব ভিডিও ডাইরেক্ট লিঙ্ক। আপনি এগুলো সোর্স হিসেবে দিতে পারেন বা পেস্ট টেক্সট থেকে আপনি যদি ক্লিক করে এখানে নিজের মতো করে একটি টেক্সট কপি করেন, যা ভার্চুয়ালি কোনও ডকুমেন্টের মধ্যে নেই, কোনও ওয়েবসাইট বা ইউটিউব ভিডিওর মধ্যেই নেই, আপনি শুধু নিজের মতো করে লিখছেন, সেই জিনিসটা আপনি পেস্ট করে সোর্স হিসেবে দিতে চান। তাহলে সহজে এখান থেকে কপি টেক্সটে ক্লিক করে ওখানে পেস্ট করে দিলেই হবে। hoặc আপনি যদি না জানেন কোন সোর্সগুলো ব্যবহার করবেন বা নতুন কিছু শেখার জন্য কিছু করতে চান, তো..
05:26পারেন, যে এইখান থেকে ডিসকভার সোর্সে ক্লিক করতে পারেন। ডিসকভার সোর্সেসে ক্লিক করে আপনি এখানে একটা প্রম দেবেন যে আসলে আপনি কি শিখতে চান। তো সেই রিলেটেড প্রম দেওয়ার পরে, ওই রিলেটেড সোর্সগুলো কালেক্ট করে আপনাকে দিবে। এছাড়াও, আপনি যদি চান যে আমি ফিলিং কিউরিয়াস, আপনি হলে গিয়ে একেবারে ফর্ম স্ক্র্যাচ কিছুই জানেন না, কিছুই বুঝেন না। আপনার মনে হয়, যে আচ্ছা, আমি আসি নোটবুকএলএমটা একটু চালাইয়ে চালাইয়ে দেখি কিছু শিখতে পারি কিনা। তখন আপনি আমি ফিলিং কিউরিয়াসে ক্লিক করতে পারেন। তারপরে, যা আসছে আপনি যদি নোটবুকএলএমের মেইন ইন্টারফেসে বা "ক্রিয়েট নোটবুক" ইন্টারফেসে আসেন, এখানে দেখতে পাচ্ছেন তিনটি কলাম করা আছে। এই কলামে থাকছে আপনার যত সোর্সেস থাকবে, সেসব সোর্সগুলো। এখানে আপনি আসলে চ্যাট করবেন নোটবুকের সাথে। এইখানে যে চ্যাটটা আপনি করবেন সেটা আসলে জেমিনাইয়ের 2.5 বা লেটেস্ট যে মডেলটি রিলিজ হবে, সেই মডেলের সাথে আপনি চ্যাট করতে পারবেন। এবং লাস্টলি এই সেকশনে আসছে স্টুডিও। এখান থেকে আপনি পডকাস্ট জেনারেট করতে পারবেন। নোটসগুলো আপনার এইখানে থাকবে। যতগুলো সেভড নোট থাকবে, এখানে দেখেন লেখাটা লক্ষ্য করুন। সেভড নোটসটি এখান থেকে এপিয়ার হবে। তো এখান থেকে আপনি নোটসগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবেন। এছাড়াও বেশ কিছু অপশনস থাকছে — স্টাডি গাইড, FAQ, টাইমলাইন, ব্রিফিং ডক। তো এই জিনিসগুলো আপনি এখান থেকে অ্যাক্সেস করতে পারেন। আপনি চাইলে যেকোনো সেকশন মাঝখানেরটা বাদ দিয়ে মিনি-মাইজ করতে পারেন, আবার গিয়ে বড় করতে পারেন। একইভাবে, এখান থেকেও জিনিসগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবেন। তো চলুন, আমরা এবার মোটামুটি ড্যাশবোর্ডটা দেখলাম, জানলাম, চিনি। এবার আসুন, আমরা বেশ কিছু… ইউজ কেস নিয়ে কথা বলি, যেগুলো মাধ্যমে আমরা আসলে NotebookLMটা ওভারঅল কিভাবে এক্সেস করতে পারব, খুবই সহজ এবং পরিষ্কার হয়ে যাবে। প্রথমে আমরা আসি যদি কোন একটা ডকুমেন্ট আমরা সামারাইজ করতে চাই, তাহলে আমি সিম্পলি এখান থেকে সোর্সেস এ ক্লিক করব and আমি একটা PDF আপলোড করব। আমার ডকুমেন্টটি হলো 'DAS ChatGPT Enhance Students Learning'
07:05তাহলে আমার সোর্সটি আপলোড হয়ে গেছে। আপলোড হওয়ার পরে আপনি যদি লক্ষ্য করেন, ইন্টারফেসে একটু পরিবর্তন আসছে। সেটা হলো, এই পাশের জিনিসগুলো আমরা আগে এক্সেস করতে পারতাম না। যেগুলো ছিল খুব ব্লার এবং অস্পষ্ট। কিন্তু এখন দেখেন, হাইলাইট হয়ে গেছে এবং আমি প্রত্যেকটি ফাংশন বা অপশন সরাসরি অ্যাক্সেস করতে পারব এবং ক্লিক করতেও পারব। এরপর, এই সোর্সের উপর ডিপেন্ড করে একটা ওভারঅল..
07:26সামারি দিচ্ছে যে এই সোর্সটা কি উপরে রিলেটেড। এরপরে যা আসছে, আপনি চাইলে ডিরেক্টলি এই সোর্সে ক্লিক করতে পারেন। সোর্সে ক্লিক করলে দেখবেন যে আপনাকে একটা সামারি দিয়ে দিচ্ছে। আপনি চাইলে ডিরেক্টলি এখানে ক্লিক করলে এখান থেকে চ্যাট শুরু করতে পারবেন, বা এখান থেকে আপনি একটু মিনিমাইজ করে এখান থেকে পুরো ডকুমেন্টটা চেক করে দেখতে পারেন। এটা একটা রিসার্চ পেপার। ডেটা অ্যাডজাস্টমেন্ট ইনহ্যান্স স্টুডেন্টস লার্নিং। এই রিসার্চ পেপারটা নিয়ে আমি আসলে সামারাইজ করতে বলব। আমি সিম্পলি বলতে পারি আমি শুধু একটা ফাইভ পয়েন্টের ডকুমেন্ট সামারি চাচ্ছি, এর বেশি কিছু না। এর জন্য ও সুন্দরভাবে আমাকে একটা ফাইভ পয়েন্টের সামারি দিয়ে দেবে। এরপর আমি আমার সামারি পেয়ে গেছি। এখন একটু খেয়াল করলে দেখবেন, এটা হলো গিয়ে একদম নরমাল। অন্যান্য যত ডকুমেন্ট আছে, সেরকমই একটা সামারি দিচ্ছে। যেটা চারে জিবিটিও দিতে পারতো, বা জেমিনেও দিতে পারত, ক্লাউডও দিতে পারত। কিন্তু হোয়াট ইজ ডিফারেন্ট হিয়ার ইজ, আপনি দেখতে পাচ্ছেন এখানে ওয়ান ওয়ান মার্ক করা আছে। এখানে খেয়াল করলে দেখবেন 28, 30 দেওয়া আছে। তারপর গিয়ে এইভাবে করে এই জিনিসগুলো আসলে কি? এই জিনিসগুলো আসলে সোর্সেস। মানে আমি আগেই বলছিলাম যে যখন গ্রাউন্ডিং করা হয়, তখন তথ্যের নির্ভরতা থাকে। তাই আমি যদি খেয়াল করি, এই যে পার্টটা নেওয়া হয়েছে, এখান থেকে যে এতটুকু লেখা হয়েছে। এটা কি ও নিজের মতো করে লিখছে? না, ও আসলে কোন পার্টটা পড়েহে লিখছে, সেটা হলো। গিয়ে এখান থেকে সাইটেশন করে দিয়েছে। এখানে যদি ক্লিক করেন, দেখেন এটুকু হাইলাইট করা আছে। তার মানে, এই হাইলাইট করা পার্টটুকু হলো, ওয়ানের আন্ডারে যতগুলো ওয়ান আছে, সবগুলোর মধ্যে আপনি ক্লিক করলে। সেম জিনিসই আপনি এই লেখাগুলোতে পাবেন। সবকিছু লেখা হয়েছে এই অবস্ট্র্যাক্ট থেকেই। এবার আসি, আমি যদি আপনাকে 28 বা 30 ক্লিক করে দেখাই, দেখবেন যে এই 28 বা 30 কিন্তু অন্য একটা সেকশন থেকে নেওয়া হয়েছে। এই পার্টটা হলো গিয়ে সেই 28 এর আন্ডারে, তার মানে এই যে 28 নম্বর যে সাইটেশনটা, সেই সাইটেশনটা এই পার্ট থেকেই করা হয়েছে। যা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা যখন গিয়ে যখন পড়তে বসি, তখন আসলে কোন পয়েন্ট থেকে সাইটেশন করা হচ্ছে, কোন পয়েন্ট থেকে নেওয়া হয়েছে, কোন লাইনের থেকে নেওয়া হয়েছে। এমনও হতে পারে যে আপনি গিয়ে এই লাইনে পড়লেন, পড়ে মনে হলো যে, আচ্ছা, এই লাইনে পড়লাম। এর পরে কি লেখা আছে বা আগে কি লেখা ছিল, সেই লেখাগুলো আমি পড়তে চাই, জানতে চাই। সেটা কিন্তু অন্য কোনও প্ল্যাটফর্মে সম্ভব নয়। কিন্তু আপনি যখন এই প্ল্যাটফর্মে ক্লিক করবেন, মানে এই। সাইটেশনে ক্লিক করবেন, আপনি আগে কি আছে সেটাও দেখতে পাচ্ছেন। পরে কি আছে সেটাও দেখতে পাচ্ছেন, এবং আপনি ওভারঅল একটা হোলিস্টিক আইডিয়া পেয়ে যাবেন। তাহলে যা দেখা যাচ্ছে, আমরা খুব সহজেই যে কোনো ডকুমেন্টের সারাংশ করতে পারছি, উইথ পারপার সাইটেশন। এবার আসেন, আমরা আরেকটা নোটবুক ক্রিয়েট করব এবং দেখতে চাইব যে, আসলে মাল্টিপল সোর্স থেকে কি রকম রেসপন্স বা আউটপুট আমরা পাই। প্রথমে আমি গিয়ে দুইটা পিডিএফ আপলোড করব। আচ্ছা, আমি দুইটা পিডিএফ আপলোড করে দিয়েছি। সেই দুটো হল: 'History of Bangladesh' রিলেটেড, যেটা একটি হলো, গিয়ে ৩৫০ পৃষ্ঠার মত একটা বই, এবং অন্যটি হলো গিয়ে ৭ বাই ৮ থেকে একটা বইয়ের স্নিপেট। বাংলাদেশ ইতিহাস রিলেটেড একটা আর্টিকেলও এখানে দিয়ে দিব। ধরেন, আমি এই বিবিসির আর্টিকেলটা কপি করলাম, কপি লিংক অ্যাড্রেস নিয়ে। এরপর গিয়ে অ্যাসোর্সেস..
10:17ওয়েবসাইটে গিয়ে আমি ডিভেলপার পার্টনে গিয়ে লিঙ্কটা দিয়ে দিলাম, এরপর ইনসার্ট দিতেই লিঙ্কটি অড হয়ে গেল। এরপর আমি একটা ইউটিউব ভিডিও অ্যাড করবো। তো আমি গিয়ে ইউটিউবে ক্লিক করলাম। ক্লিক করে আমি গিয়ে একটা লিঙ্ক ইনসার্ট করে ফেললাম। এবার খেয়াল করুন, আমরা এখন দুটি পিডিএফ দিচ্ছি, একটা লিঙ্ক দিচ্ছি এবং একটা ইউটিউব ভিডিও দিচ্ছি। এখন আসি, যদি আমি এই মাল্টিপল সোর্স থেকে শেখা চাই, একটা স্টাডি গাইড তৈরি করতে চাই। মানবিকভাবে খুবই সম্ভব নয়, কারণ আমাকে পুরো বইটা পড়তে হবে। বেশি সময় দিতে হবে এই মাল্টিপল সোর্স থেকে বোঝার জন্য। ভিডিও দেখার সময়, বই পড়ার সময় আপনি হাইলাইট করতে পারেন, কিন্তু ভিডিও দেখার সময় আপনি হাইলাইট করতে পারবেন না, আপনাকে ম্যানুয়ালি নোট নিতে হবে। তাহলে এখন আমরা কি করতে পারি? নোটবুক এলেমের সাম্প্রতিকভাবে এই যে। স্টাডি গাইড যে অপশনটা আছে সেটা যদি আপনি ক্লিক করে ফেলেন, তাহলে দেখবেন যে একটা নোট তৈরি হয়ে যাবে, বেসড অন দিস ফোর সোর্স। কারণ আমি কিন্তু এখানে চারটা সোর্স সিলেক্ট করে রেখেছি। আপনি যদি খেয়াল করেন, এই যে বক্সটা স্টার টাইপিং, এখানেও দেখেন, চারটা সোর্স সিলেক্ট করা। তো, এই চারটা সোর্সের উপর ডিপেন্ড করে, আমার এখন একটা স্টাডি গাইড প্ল্যান দিচ্ছে। দেখেন, ক্লিক করার জন্যই ১০-১৫ সেকেন্ডের মধ্যে একটা স্টাডি গাইড আমাকে দিয়ে দিচ্ছে। আমি যদি এটাকে ক্লিক করি, একটা কম্প্রিহেনসিভ স্টাডি গাইড যেখানে কুইজ, শর্ট অন্সার এবং কোশ্চেনস, বিভিন্ন ধরনের সেকশন থেকে আমাকে বিভিন্ন কোশ্চেন এবং ন্সারসের সুযোগ করে দিচ্ছে। এসএফরম্যাটে কোশ্চেনসগুলো দিচ্ছে। গ্লোসারি অফ কি টার্মস দিচ্ছে। বেশ কিছু টার্মস থাকবে এই হিস্ট্রি থেকে, যেগুলো আমরা আসলে জানি না। কোন কোন। টার্মসগুলো সেগুলো হলো, গিয়ে আসলে লিখে দিছে। গত কি বা গুরুত্বপূর্ণ পার্টস আছে, যেগুলো আমাদেরকে একেবারে জানতে হবেই হবে, সেগুলো আমাকে একটা তালিকা করে দিয়ে দিছে। এবং এখানে লক্ষ্য করলে দেখবেন, কনভার্ট টু সোর্স, আমি চাইলে এই যে একটা সামারি করে দিছে বা একটা স্টাডি গাইড করে দিয়েছে, এটাকেও আমি একটা সোর্সে কনভার্ট করতে পারি। যে সোর্সটা এইখানে চলে আসবে। তো আমি একটু ক্লিক করি, কনভার্ট টু সোর্স। এই দেখেন, সাথে সাথে এখানে একটা সোর্স হিসেবে চলে আসছে। এবং এইখানে আপডেট হয়ে গেছে যে, পাঁচটা সোর্স এখন হয়েছে। আর আপনি যদি চান, কোন সোর্স ডিলিট করবেন, সিম্পলি এখানে এসে মডে ক্লিক করবেন, ক্লিক করে রিমুভ সোর্স বা রিনেম সোর্স করতে পারতেছেন। আমি রিমুভ সোর্স দিলাম, ডিলিট দিলাম, সোর্সটা ডিলিট হয়ে গেল। এবার আসি তাহলে, এটা হলো গ, আমরা দেখতে পাইলাম যে কিভাবে একটা স্টাডি। গাইড প্ল্যান আমরা বানাতে পারি। এবার আসি, আমি একটা ব্রিফিং ডক বানাবো, যার ভিতরে ওভারঅল একটা আইডিয়া থাকবে, যে আসলে আমাকে কিভাবে পড়তে হবে, কি টার্মস গুলো থাকবে। তো আমি জাস্ট ব্রিফিং ডকে যদি ক্লিক করি, তাহলে দেখবেন এখানে একটা নোট তৈরি হবে, যে নোটে একটা ব্রিফ থাকবে, ওভারঅল একটা কনসাইজ সামারি থাকবে, যার মাধ্যমে আমি খুব সহজে একটা আইডিয়া পেয়ে যাচ্ছি। আমাকে কি কি পড়তে হচ্ছে, কোন কোন পার্টসগুলো পড়লে আমার জন্য ভালো হবে। দেখেন, উইথিন ম্যাটার অব সেকেন্ডস একটা নোট আমাকে ক্রিয়েট করে দিয়েছে, বাংলাদেশ ডেল্টা অ্যাভিয়েশান হিস্ট্রি। যদি আমি এখানে ক্লিক করি, তাহলে এটা ওপেন হয়ে যাচ্ছে। আমি এটাকে মিনিমাইজ করে দিলাম। এবার আসেন, আমরা হাঁটি গিয়ে জিনিসটা একটু খেয়াল করি। পুরো হিস্ট্রি যেটা ছিল, তার একটা শর্ট সামারাইজ ভার্সন বানিয়ে দিয়েছে। যেটা… আমাকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বলো, বাংলাদেশের কীভাবে গণঅভ্যুত্থান হলো, বাংলাদেশ কীভাবে তৈরি হলো? কলোনিয়াল যে সেকশনটি ছিল, বাংলাদেশের অভ্যুত্থান, পাকিস্তানের সাথে যে সব যুদ্ধ হয়েছে, সব কিছু আমি হলে গিয়ে একটা ব্রিফিং ডকুমেন্ট পেয়ে যাব। তাহলে জাস্ট একটা ক্লিক করলে আপনি আসলেই পুরো যতগুলো সোর্স আপলোড করছেন, সব সোর্স থেকে একটা কনসাইস সামারি পেয়ে যাচ্ছেন। যে সামারি আপনি পড়ার মাধ্যমে আপনি আসলেই বুঝে ফেলতে পারছেন, মানে 300-400 পেজের আগে যে ওভারঅল আমি আসলে কি এক্সপেক্ট করব। আরেকটা জিনিস, আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে, নোটবুক এলিমেন্ট হচ্ছে, গিয়ে ডিজিটাল ভার্সন অফ মাল্টিপল গাইডস। কেমন? আমরা যখন পড়ালেখা করতাম, তখন পড়তাম পাঞ্জেরি লেকচার, তারপর জুপিটার বা বিভিন্ন গাইড নিয়ে বই নিয়ে বসতাম। চারদিকে ছড়িয়ে, ছিটিয়ে বসে প্রত্যেকটা থেকে দাগ। দিয়ে দিয়ে দিয়ে একটা নোট করতাম, লিখতাম, পড়তাম, যেটা ছিল তখন ম্যানুয়ালি করা লাগতো। আমাদের প্রত্যেকটা জিনিস পড়তে পড়তে একসময় মনে হতো, আচ্ছা, আমি যেটা পড়ছিলাম, এটা কি জুপিটারে ছিল না পাঞ্জীতে ছিল? মনে থাকতো না। নোটবুক এলেম ঠিক সেই ভার্সনটাই এইখানে। আপনি বিভিন্ন ধরনের সোর্স আপলোড করতে পারতেছেন, আপলোড করে সেখান থেকে জাস্ট এক ক্লিকে পড়তেও পারতেছেন। আপনি বিভিন্ন কোশ্চেন করতে পারতেছেন। আপনি এখানে যদি চ্যাট করেন ওর সঙ্গে, অর্থাৎ আমি জাস্ট সিম্পলি বললাম যে, ইন্ডিপেন্ডেন্ট অফ বাংলাদেশ, সব সোর্সেস ঘেঁটে ও আমাকে একটা নেসার দিবে। দেখেন, যে নেসারটা দিচ্ছে, সেটা একটা অনেক লম্বা, খুবই ইন-ডেপ্ট নেসার। এখান থেকে আপনি প্রত্যেকটা সোর্স দেখে দেখে নিতে পারেন যে, ও কিন্তু আন্দাজে কিছুই বলে নাই। এটা দিচ্ছে, এই পার্টটুকু লিখেছেন। এইখান থেকে। তারপরে যদি আপনি ক্লিক করেন, তখন দেখবেন যে অন্য একটা জায়গা থেকে আরেকটা পার্ট নামিয়ে আসে। দেখেন, একটা বইয়ের প্রথম থেকে আরেকটা বইয়ের মাঝখান থেকে বা অন্য বইয়ের শেষ থেকে, এটা মানবভাবে আসলে সম্ভব না। এত ডাইভার্স কাজ করা। যেটা আসলে NotebookLM-এর আশীর্বাদে, এই জিনিসটা খুব সহজে আমরা করে ফেলতে পারছি। এবার আসি পরবর্তী ইউজ কেসে। যেহেতু বাংলাদেশের ইতিহাস ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১, এবং আমি যতদূর এই পিডিএফটা দেখছি, এখানে আসলে ১৯৪৭ এর আগে থেকেও বিষয়গুলো উল্লেখ আছে। আমি চাই এখন পুরো একটা টাইমলাইনে জানতে, কোন বছর কোন বছর আসছিল, কোন সালে কী হয়েছিল, এই জিনিসগুলো জানা খুব প্রয়োজন। এই জিনিসটা আমি খুব সহজেই NotebookLM-এর মাধ্যমে এক ক্লিকে করতে পারছি। সেটা হলো, আমি যদি এখানে টাইমলাইনে ক্লিক করি, সিম্পলি একটা। ক্লিকে ও আমাকে ওভারঅল যত ধরনের টাইমলাইন এই পুরো চারটা সেকশনে বা চারটা সোর্সে মেনশন করা আছে, একেবারে একটা লিস্ট করে দিয়ে দেবে আমাকে, আসলে খুঁজে খুঁজে বেরও করতে হচ্ছে না যে ১৯৪৭ সালে কি হয়েছিল, ১৯৫২ তে কি হয়েছে, ১৯৬৬ তে কি হয়েছে, ১৯৬৯ এ কোথায় কি হয়েছে, খুঁজে খুঁজে বের করে লেখার দরকার নাই। দেখেন, আমাদের টাইমলাইন তৈরি হয়ে গেছে। আমি যদি একটা ক্লিক করি, ১৫০০ সাল থেকে শুরু করছে। এর মানে এই চারটা সোর্স যখনই ঘাটছে, ঘেটে দেখছে, টাইমলাইনটা একেবারে শুরু হচ্ছে ১৫০০ সাল থেকে। দেখেন, ডিটেইল টাইমলাইন অফ মেইন ইভেন্টস ইন বাংলাদেশ। এই টাইমলাইনের থেকে যে শুরু হয়েছে, দেখেন, প্রত্যেকটা জিনিস একটার পর একটা ক্রমধারায় দেওয়া আছে—১৬১০, ১৬১২, ১৬৫০—এভাবেই করে, যত ধরনের টাইমলাইন আছে, মেনশন করা সবগুলো একেবারে একটা লিস্ট করে দিয়ে দিয়েছে। হুল্লু করে যখন কোন কিছু পড়ি, আমি চাই যে একটা মানে, লিস্ট করে পড়তে। যে কোনোটা পড়া বা কোনটা আসছে, আমি যেন আমার চোখের সামনে থাকুক। তো, যারা আমরা পড়াশোনা করি, আমরা জানি যে এই জিনিসটা কত কঠিন। কিন্তু এক ক্লিকে দেখুন, সবকিছু একটা লিস্ট করে দিচ্ছে। দিস ইজ অ্যামেজিং। তো, এটা কীভাবে স্টাডি গাইড তৈরি করবেন, ব্রিফ তৈরি করবেন, টাইমলাইন তৈরি করবেন, তার একটি উপায়। আরেকটি ফিচার আছে, সেটি হলো FAQ। এর মানে, এই চারটি সোর্স থেকে আপনার কী কী প্রশ্ন, অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বা পড়া উচিত বিষয়গুলো, কী ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে, ওইসব আপনি FAQ-তে ক্লিক করে পড়তে পারেন। এখানে আমি একটি জিনিস আলাদা করে বলবো, সেটা হলো আমি একটা সোর্স কমিয়ে দেবো। সোর্স কমানোর কারণে, যে মানে, আপনাকে শুধু একটা ধারণা দেওয়া হবে যে, একটা সোর্স আপনি চাইলে কমায়েও দিতে পারেন। এখানে দেখুন, এখানে গিয়েছি, চারটি সোর্স দেওয়া হয়েছে, আমি তো গিয়েছি, ভিডিওটা দেখছি। বাদ দিয়ে দিলাম এই ভিডিওটা। যখন আমি বাদ দিয়ে দিয়েছি, দেখেন তিনটা সোর্স হয়েছে, এবং আমি এখন যদি FAQ-তে ক্লিক করি, দেখেন, বেসড অন থ্রি সোর্সেস। তো এইভাবে করে এই তিনটা সোর্স ঘেঁটে আমাকে একটা FAQ লিস্ট দিবে, যার মাধ্যমে আমি শুধু FAQগুলো পড়ে ফেলব। তাহলে আমার ওভারঅল যে মূল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টস বা প্রশ্নগুলো আছে, সেগুলো আমি জেনে ফেলতে পারব। দেখেন, এই যে FAQ দিয়ে ফেলছে। ক্লিক করলেই দেখতে পাচ্ছেন, যে হিস্ট্রি এবং আইডেন্টিটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন করছে। এই প্রশ্নগুলো দেখেন, প্রত্যেকটার পরে একেকটা सेकশন করে করে একেকটা প্রশ্ন করছে। এইভাবে করে আপনি আসলে বিভিন্ন ধরনের FAQ তৈরি করতে পারবেন খুবই সহজে। আপনি চাইলে প্রত্যেকটা সোর্স ধরে ধরে FAQ বানাতে পারেন, বা আপনি চাইলে সিম্পলি এখান থেকে যে..
17:46এফউ গুলো দিচ্ছে সেগুলো তো অল্প কিছু সংখ্যক থাকবে। আপনি এখান থেকে চ্যাটের মাধ্যমে ওকে জিজ্ঞেস করতে পারেন যে 'Give me FAQ questions'। যেটা খুব সহজে এখানে আপনি না পাইলেও আপনি এখান থেকে পাবেনই পাবেন। এবার আসি পরবর্তী ইউজ কেসে, সেটা হলো গিয়ে অডিও ওভারভিউ বা পডকাস্ট। আপনি যে চারটা সোর্স আপলোড করে দিয়েছেন, এই সোর্সের উপর নির্ভর করে আপনাকে একটা কনভার্সেশনাল পডকাস্ট দেবে। মানে, এটা কোনো জেনেরিক এআই জেনারেটেড ভয়েস নয়, যেখানে গিয়ে শুধুমাত্র যা যা আপনি আপলোড করছেন, তার উপর নির্ভর করে একটা ড্রাফট আউটপুট দিচ্ছে। এই জিনিসটা খুবই কনভার্সেশনাল হবে। এত ক্যাজুয়াল হবে, মানে আমরা না—এত সুন্দর করে ক্যাজুয়ালি কথা বলি না। এত গুছিয়ে, তো এটা আপনি করতে পারছেন সিম্পলি এখান থেকে 'Generate' ক্লিক করার মাধ্যমে। দুইজন হোস্ট থাকবে, একজন मेल এবং একজন ফিমেল। এখানে একটা কাস্টমাইজেশন অপশন আপনি পাচ্ছেন। কাস্টমাইজে যদি ক্লিক করেন, দেখবেন ডিফল্ট শর্টার এবং লংগার। যদি লংগার ক্লিক করেন, প্রায় এক ঘণ্টার কাছাকাছি একটি পডকাস্ট আপনি তৈরি করে দিতে পারেন বোঝার জন্য। Based on your sources, ডিফল্টে ক্লিক করলে মোটামুটি এভারেজ যা হওয়া উচিত সেটাই করবে, এবং শর্টারে ক্লিক করলে মোটামুটি পাঁচ থেকে 10 মিনিটের মধ্যে একটি পডকাস্ট জেনারেট হয়। এখন আসলে কোন ধরনের পডকাস্ট জেনারেট করবে, সেই টপিকটি কি হবে, তা আপনি এখানে উল্লেখ করে দিতে পারেন। যেমন, Only Dance মানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে শুধু কথা বলবে, অন্য কিছু নিয়ে কথা বলবে না। এটা আপনি করতে পারেন। যদি আপনি কোনও ইনস্ট্রাকশন না দেন, তাহলে যা হবে, তা হলো ওভারঅল একটা সারমারি দিচ্ছে। এই সারমারি থেকেই। আপনাকে হòl গিয়ে একটা পডকাস্ট জেনারেট করে দেবে। এখন আসি, পডকাস্টটা আপনার যে কোনও ভাষায় জেনারেট হতে পারে। এখান থেকে সেটিংয়ে ক্লิก করতে হবে, ক্লিক করে আউটপুট ভাষায় ক্লিক করবেন। দেখেন, আমার আউটপুট ভাষা দেওয়া আছে ইংরেজি। আমি যদি এখান থেকে বাংলা सिलেক্ট করি, আপনি বাংলা, হিন্দি, যে কোনও ভাষা সিলেক্ট করতে পারেন। আমি যদি বাংলা সিলেক্ট করে সেটি সেভ করি, এবার যদি আমি জেনারেট দিই, তাহলে যে পডকাস্টটি জেনারেট হবে, সে সম্পূর্ণ বাংলায় জেনারেট হবে। তো, এই পডকাস্টটা জেনারেট হতে থাকবে। আমরা পরবর্তী ইউজ কেসে চলে যাব। পরবর্তী ইউজ কেসটি হল, গিয়ে মাইন্ড ম্যাপ। আমাদের সামনে যত ভিজুয়ালি আইডেন্টিফাইড জিনিসপাতি থাকে, তত সহজে এবং সুন্দরভাবে আমরা কোনও কিছু শিখতে পারি। ঠিক সেই জিনিসটাই করে মাইন্ড ম্যাপ। আপনি যদি মাইন্ড ম্যাপে..
19:57ক্লিক করেন এবং খুব সহজেই একটা নতুন নোট জেনারেট করবে। সেটি হলো গিয়ে মাইন্ড ম্যাপ তৈরি হবে, এইখানে চলে আসবে। আচ্ছা, মাইন্ড ম্যাপটা জেনারেট হয়ে গেছে। দেখেন, আমি পডকাস্টের জন্য বাংলা সেটিংস করছিলাম। এই কারণে যে, মাইন্ড ম্যাপটা আসছে, সেটা হলো গিয়ে বাংলাতেই আসছে। আমি যদি ক্লিক করি, একটু খেয়াল করে দেখেন। একটু জুম আউট করে ফেলি। বাংলাদেশের ইতিহাস বা ওভারঅল থিমটা কি বাংলাদেশে ইতিহাস, তার সঙ্গে কি কি সম্পর্কিত ভূমিকা, জল ও ভূমি, তারপর প্রত্যেকটা জিনিস দেওয়া আছে উপসংহার পর্যন্ত, এবং প্রত্যেকটা নোডের মাথায় আরও এক্সটেন্ডেড ভার্সনে আমরা যেতে পারবো। যদি ভূমিকায় জানতে চাই, ভূমিকায় ক্লিক করলে কি কি ভূমিকা আছে, তাদের আসলেই এক্সটেন্ডেড ভার্সন বের হয়। জল ও ভূমি সম্পর্কে আমি জানতে চাই, ক্লিক করলাম, দেখেন, আরও খুলে গেল। এখন আমি যদি যেগুলোর..
20:41মাথায় আরও একটনডেড ভার্সন থাকবে। সেগুলো যদি আমি আরও ক্লিক করি, দেখেন আরও বেশি খুলছে, আরও বেশি ব্রাঞ্চес বের হচ্ছে। ঠিক একইভাবে, আমি যদি বাংলাদেশ মনে করে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ হিসেবে খুলি, দেখেন পাকিস্তান পরীক্ষা, পাকিস্তান ভেঙে পড়েছে, পূর্ব পাকিস্তানের জীবনযাত্রা। আমি জীবনযাত্রায় ক্লিক করলাম, দেখেন এই জিনিসটা আবার খুললো—‘যুদ্ধ’ এবং ‘বাংলাদেশের জন্ম’। সেখানে ক্লিক করলে আবারও খুলতেছে। তাহলে, আপনি আসলে ওভারঅল যে থিমটা সেটা সম্পর্কে খুব সহজে জানতে চান, আপনার এই মানে ভিজুয়ালি পড়তে বেশি ভালো লাগে বা যখন আপনি ভিজুয়ালি জিনিসগুলো দেখেন, তখন মনে থাকে। সেই জিনিসগুলো আপনি খুব সহজে মাইন্ড ম্যাপের মাধ্যমে করতে পারেন। আপনি চাইলে, যদি মনে হয়, আমি এইখান থেকে যেকোনো একটা টপিক সম্পর্কে আরও বিস্তারিত দেখতে পারেন। ইনডেপ্ঠে জানবো, যেমন ধরেন এখানে ভূতাত্বিক কাঠামো। এই জিনিসটা আপনি যদি ক্লিক করেন, আরও খুলবে। কিন্তু আমি এখানে ডিরেক্টলি ভূতাত্বিক কাঠামো সম্পর্কে জানতে চাই এবং কোন পৃষ্ঠায় আছে বা কোথায় আছে সেটা সম্পর্কেও জানতে চাই। আপনি ডিরেক্টলি মাঝখানে ক্লিক করবেন। মাঝখানে ক্লিক করলে দেখবেন, একেবারে এই চ্যাট বক্সে চলে আসছে। চ্যাট বক্সে আসার পরে, এই চ্যাট বক্স থেকে এখন চারটি সোর্স খুঁজে আপনাকে একটা আউটপুট দেবে। আপনি সিম্পলি এখানে ক্লিক করে কেটে দিতে পারেন। কেটে দিলাম। কেটে দেওয়ার পরে, এখন দেখেন, এই যে ভূতাত্বিক কাঠামো নিয়ে সব কিছু আপনাকে দিয়ে দিচ্ছে, উইথ প্রপার সোর্সেস। দেখছেন কত সুন্দরভাবে সোর্সগুলো আসলে দেওয়া। এখানে দেখেন, রিফ্রেশ বাটন আছে। সবসময় মনে রাখবেন, নোটবুক এলএম-এর মধ্যে কোনও চ্যাট হিস্ট্রি সংরক্ষিত থাকবে না। যদি কোন চ্যাট সেভ রাখতে হয়, তাহলে সিম्पলি সেভ টু নোটে ক্লিক করতে হবে। আমি ধরেন, আমি এটা সেভ রাখতে চাই। মানে, এই কনভার্সেশনটা আমি সেভ রাখতে চাই। আমি সিম্পলি এখানে সেভ টু নোট ডাবল ক্লিক করব। দেখেন, এইখানে সেভ হয়ে গেছে। এবং এইখানে সেভ করা থাকলে, সেটা হলো গিয়ে স্টোর থাকবে সবসময়ের জন্য। এখান থেকে আপনি এক্সেস করতে পারবেন, কিন্তু কখনোই এটা থাকবে না। কারণ, আপনি যখন এই পেজটা রিফ্রেশ দেবেন। আমি পেজ রিফ্রেশ না করে এখানে রিফ্রেশ বোতামে ক্লিক করে আপনাকে দেখাচ্ছি। আমি যখন রিফ্রেশ দিলাম, দেখেন, এখন কোনো চ্যাট হিস্ট্রি আমার আর নাই। এখান থেকে আমাকে নতুন করে চ্যাট মানে শুরু করতে হচ্ছে। এবার, আপনি যদি চান যে আপনি আসলেই ওভারঅল যে কয়টা নোট বানিয়েছেন, যে এখানে কতগুলো নোট আছে, আমরা একটু লক্ষ্য করি—পাঁচটা নোট আছে, এই পাঁচটা নোট আপনি কারো সঙ্গে শেয়ার করবেন। সিম্পলি শেয়ার বোতনে ক্লিক করে। ক্লিক করবেন, অন্যান্য গুগল প্ল্যাটফর্মগুলো যেভাবে কাজ করে, ঠিক একইভাবে এটি ও কাজ করবে। এখান থেকে আপনি খুব সহজেই নোটবুক অ্যাক্সেস রেস্ট্রিকটেড করে রাখতে পারবেন। এখান থেকে যেকোনও মানুষকে লিংকটি দিয়ে অ্যাক্সেস দিতে পারবেন। আপনি এখন সহজে কপি করে কারো সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন, বা আপনি চাইলে এখান থেকে কারো ইমেইল নির্বাচন করে তার সঙ্গে শেয়ারও করতে পারেন। তো, এই মুহূর্তে আমাদের পডকাস্টটি আসলে প্রস্তুত হয়ে গেছে। পডকাস্টটি দেখেন, সাত মিনিটের মধ্যে একটি পডকাস্ট তৈরি হয়ে গেছে। সবথেকে বেশি যে থিমগুলো ছিল, সেগুলো থেকে আমরা কিছু শুনে দেখাচ্ছি। >> একটা নতুন দেশ, কিন্তু তার ভিতর, মানে ইতিহাস অনেক পুরোনো। 1971 এর পর বাংলাদেশের পথচলা কিন্তু বেশ উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে গেছে। >> একদম। রাজনীতি, আত্মপরিচয়, অর্থনীতি, সংস্কৃতি মানে সবকিছুতেই নানা চ্যালেঞ্জ, নানা টানা পড়েন। আচ্ছা, মানে বাংলাটা আসলে একটু কলকাতার, মানে এন্ডের মানে একটু কলকাতার মানুষজন যেভাবে কথা বলে, সেভাবে। কিন্তু এ নিউজ ইউ গেট দ্য পয়েন্ট। আপনি চাইলে এখান থেকে অডিও স্পিডে গিয়ে আসলে মানিটেইন করতে পারবেন। আমি চাইলে মনে করেন একটু স্পিডে দিয়ে দিলাম, অথবা আপনি যদি চান এখান থেকে আসলে ডাউনলোডও করতে পারতেছেন। আজকে আমরা এই নিয়েই কথা বলবো। আমাদের আলোচনা ভিত্তি হলো ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত এই হিস্ট্রি অফ বাংলাদেশ বইয়ে। এই এই ফিচারটা আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দের। কারণ আমি যখন সবকিছু আপলোড করে ফেলছি, আমাকে যখন একটা সামারি দিতে বলতেছি, প্রত্যেকটা জিনিস আমাকে না পড়তে হচ্ছে, যে পড়ার জন্য আমাকে হল গিয়ে কনসেন্ট্রেট করতে। আমাকে তাকায় তাকায় পড়তে হচ্ছিল। কিন্তু আমি যদি হুট করে এসে কেবল একটি বাটনে ক্লিক করি, আমি কোন এপিসোডের পডকাস্টটা চাই, কোন জিনিসটা আমি শেখার জন্য চাচ্ছি সেটা আমি একটু প্রমট দিয়ে ওকে বলি। বলার পরে ও যে পডকাস্টটা তৈরি করে, আমি হাঁটতে হাঁটতে, কাজ করতে করতে, কোথাও যেতে যেতে আমি সহজেই যেকোনো সময় শুনে ফেলতে পারি। এমনকি এই পডকাস্টগুলো আপনি YouTube এও মানে পরবর্তীতে আপলোড করতে পারবেন, কোনো কপিরাইট ইস্যু ছাড়া। এবার আসি শেষ বাটন বা ‘ডিসকভারে’ গিয়ে। ধরুন আমার কাছে কোনো সোর্সেজ নেই। আমি ভাষা পরিবর্তন করে ইংরেজি করে দিলাম। এখন আমি ‘ডিসকভারে’ গিয়ে বললাম, ‘আমি জানতে চাই একটু বিস্তারিত’, যেন উইকিপিডিয়াতে না থাকে, শুধুমাত্র আপনাদের জন্য বোঝানোর জন্য। এখন যদি আপনি দেখেন..
25:03ফাস্টেডটা আসতেছে উইকিপিডিয়া, কিন্তু পরেরগুলো দেখলে প্রত্যেকটা ওয়েবসাইট দিচ্ছে, এবং ভালো ভালো বেশ কিছু সোর্স দিচ্ছে। এখান থেকে আপনি চাইলে যেকোনো একটা নিতে পারেন, আবার গেলে মাল্টিপলগুলো না নিয়ে আপনি যেকোনো একটা সিলেক্ট করেও আপনি আসলে ইনক্লুড করতে পারেন আপনার সোর্সেসের ক্ষেত্রে। ধরেন, আমি হলো গিয়ে এখান থেকে কোনটাই নিলাম না। আমি জাস্ট লাস্টে যে, এই সোর্সটা আমার খুব ভালো লাগছে, এই সোর্সটা আমি হলো গিয়ে সিলেক্ট করলাম, এবং এটাও করলাম। করে ইম্পোর্টে ক্লিক করলে এইখানে খুব সহজে চলে আসতেছে। এবার আসেন ডিসকভারে গিয়ে, আমি আসলে কিছু লিখলাম না। আমি সিম্পলি ক্লিক করলাম, আমি ফিলিং উইরিয়াস, একেবারে নতুন একটা টপিক আমাদের সামনে চলে আসছে—সোর্সেস এক্সপ্লোরিং, ভিক্টোরিয়ান হেয়ার আর্ট অফার, ইনসাইটস ইনটু ইটস হিস্ট্রি, টেকনিক, কালচারাল মিনিং, এন হোয়্যার টু। ফাইন্ড অ্যান্ড অথেন্টিক পিসেস প্রোভাইডিং কমপ্রিহেন্সিভ ভিউ অফ দিস ইউনিক ক্রাফট। তো ভিক্টোরিয়ান হেয়ার আর্টের উপর ডিপেন্ড করে আপনাকে বেশ কিছু সোর্স দিছে। যেই সোর্সগুলো থেকে আপনি আসলে ভিক্টোরিয়ান আর্ট কি জিনিস, সেটি জানতে পারছেন। তো এইটা হলো গিয়ে, আমি আসলে এইটা ফিলিং কিউরিয়াসের মানে ব্লেসিংস। আপনার পছন্দ ধরেন, মানে টেকনিক্যাল স্টাফ। কিন্তু এটা আপনাকে ক্রিয়েটিভ সাইডেও নিয়ে যাবে। আপনি শুধু কয়েকটি সোর্স ক্লিক করলেন, পড়লেন, আপনার জ্ঞান একটু এনরিচ হলো। আপনি অন্য একটা সেক্টরে, অন্য একটা বিষয়ে কিছুক্ষণের জন্য জানতে পারলেন, পড়তে পারলেন বা একটি পডকাস্ট শোনে দ্রুত উপভোগ করলেন। এই হলো গিয়ে, মোটামুটি নোটবুক LM-এর সব ধরনের ফিচার আমি চেষ্টা করলাম কভার করার জন্য। এভাবে করে আপনি… পসিবিলিটিস আর এন্ডলেস্ট। যারা আমরা শিখতে চাই, রিসার্চ করতে চাই, আমরা যেকোনো সোর্সেস আপলোড করব, সেখান থেকে আমরা ইনডেপথ যেকোন অঙ্গেলে, যেকোন সাইডে যেতে পারতেছি। তো, সবার আগে আপনি দেখলেন, গুগল এর নোটবুক এলএম আসলে কিভাবে কাজ করে এবং এটা আপনার পড়ালেখার জার্নিকে কত বেশি নরম করে তুলতে পারে। যেহেতু আপনি যে চ্যাটটা করছেন, সেই চ্যাট কিন্তু সেভ থাকবে না। তাই, যে নোট বা আউটপুট আসবে, যদি পছন্দ হয়, অবশ্যই সেভ করে রাখবেন, পরবর্তীতে অ্যাক্সেস করার জন্য। ভিডিওটা যদি ভালো লাগলে, একটা লাইক দিতে পারেন। এছাড়াও, সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না আরো সো ক্যাচ ভিডিওসের জন্য। এআই সম্পর্কিত অন্যান্য ভিডিওগুলো এখান থেকে দেখে নিতে পারেন। ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ ওয়াচিং এর জন্য। দেখা হবে পরবর্তী ভিডিওয়ে।